সম্প্রতি বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক মাধ্যমে “বরিশালে ধার দেয়া টাকা ফেরত চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলার অভিযোগ” শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তার মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর।
আমি বটতলা বাজারে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে পল্ট্রি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। সংবাদে উল্লেখিত লাভলী বেগম আমার দূরসম্পর্কের আত্মীয় (ভাগনীর খালা শাশুড়ি)। প্রকৃত ঘটনা হলো, তিনি বিভিন্ন সময়ে আর্থিক সংকটের কথা বলে আমার কাছ থেকে মোট ৩৭,০০০ (সাঁইত্রিশ হাজার) টাকা ধার গ্রহণ করেন এবং আমার দোকান থেকে প্রায় ৬,০০০ (ছয় হাজার) টাকার পণ্য বাকিতে নেন।
দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও টাকা পরিশোধ না করায় আমি বারবার তার কাছে পাওনা অর্থ দাবি করি। গত ০২/০৩/২০২৬ ইং তারিখে আমি পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে তিনি আমার বাসায় এসে স্পষ্ট ভাষায় টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং আমাকে অশালীন ভাষায় গালাগালি করেন। এমনকি প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন,পারলে টাকা নিয়ে নিস।
আমি তার ওপর কোনো ধরনের শারীরিক হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করিনি। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সুপরিকল্পিতভাবে সাজানো। প্রকৃতপক্ষে পাওনা টাকা পরিশোধ এড়ানো এবং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে তিনি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করেছেন।
দুঃখজনকভাবে, কিছু গণমাধ্যম যথাযথ তদন্ত ও উভয় পক্ষের বক্তব্য যাচাই না করেই একপাক্ষিক সংবাদ প্রকাশ করেছে, যা সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী। এমন মিথ্যা সংবাদ আমার ব্যক্তিগত সুনাম, সামাজিক মর্যাদা ও ব্যবসায়িক অবস্থান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
আমি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমসমূহের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি, যথাযথ অনুসন্ধান ও তথ্য যাচাই করে এই মানহানিকর সংবাদের সংশোধন ও প্রতিবাদ একই গুরুত্বে প্রকাশ করুন। অন্যথায়, আমার মানহানি ও ব্যবসায়িক ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় এনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হব।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জোর দাবি জানাচ্ছি।
নিবেদক
মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি।
ব্যবসায়ী বটতলা বাজার,
বরিশাল।



