নাসির শরীফ, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ আওয়ামীলীগের দোসর দিয়ে চলছে উজিরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সুত্রে জানা যায় উজিরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষক ও শিক্ষিকা ১৪ জন। এরমধ্যে ৯ জন শিক্ষক হিন্দু ধর্মাবলম্বী। এতে করে ইসলাম ধর্ম বিষয়ে পাঠদান ব্যহত হচ্ছে। এমনকি ইতিপূর্বে এই স্কুলে অধ্যায়নত মেয়র গিয়াস উদ্দিন বেপারীর মেয়ের রোল নম্বর ছিলো ১,বর্তমানে ওই শিক্ষার্থীর রোল নম্বর ৩৩ হয়েছে।
এখনো আওয়ামীলীগের সিন্ডিকেটে চলছে এই প্রতিষ্ঠানটি। যেন দেখার কেউ নেই। তৎকালীন স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের আমলে আওয়ামীলীগের দোসর সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ শাহে আলম মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে প্রধান শিক্ষিকা রহিমা বেগমকে ইচলাদী স্কুল থেকে উজিরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে স্থায়ী করেছেন। এছাড়া কয়েকজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষকদের দুর্দান্ত বিভিন্ন স্কুল থেকে বদলী করে এই স্কুলে স্থায়ী করেন। আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হওয়ার পরেও দাপটের সহিত চাকরি করছে অবৈধ ভাবে স্থায়ী হওয়া প্রধান শিক্ষিকা ও অবৈধ ভাবে স্কুলে পদার্পণ একাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষকরা। স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের পতন হওয়ার পরেও আওয়ামী লীগের দোসররা কিভাবে ওই স্কুলে চাকরি করছেন প্রশ্ন জনমনে? এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষিকা রহিমা বেগমকে বারবার ফোন করা হলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।
উজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমিন জানান বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা জানান বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। এদিকে অচিরেই অবৈধ ভাবে স্থায়ী হওয়া প্রধান শিক্ষিকাসহ হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষকদের অপসারণের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে উজিরপুরবাসী।
এছাড়া একাধিক অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা সাবেক এমপি ভূমিদস্যু শাহে আলমের হাত ধরে অবৈধ ভাবে উজিরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থায়ী হওয়া হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষকদের অচিরেই অপসারণের দাবি জানিয়ে উজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমিন ,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজাসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।
উজিরপুর, বরিশাল, বরিশাল বিভাগ